আরো

    লেয়ার মুরগির ভ্যাকসিন শিডিউল

    লেয়ার মুরগির ভ্যাক্সিনেশন শিডিউলঃ

    বয়সরোগ ও  ভ্যাকসিনভ্যাকসিনের ধরণপ্রয়োগ পদ্ধতি
    ৩ – ৫ দিনরাণীক্ষেত + ব্রঙ্কাইটিসলাইভচোখে
    ৭  দিনগামবোরো + রাণীক্ষেতকিল্ডঘাড়ের নিন্মাংশে চামড়ার নিচে
    ১০  দিনগামবোরোলাইভচোখে
    ১৭ দিনগামবোরোলাইভপানিতে
    ২২ – ২৩ দিন রাণীক্ষেত + ব্রঙ্কাইটিসলাইভচোখে/পানিতে
    ২৮ দিনএভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা (H9)লাইভঘাড়ের নিন্মাংশে চামড়ার নিচে
    ৩২  দিনফাউল পক্সলাইভডানার চামড়ায়
    ৪৫ দিনরাণীক্ষেতলাইভপানিতে
    ৫২  দিনএভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা (H9)কিল্ডঘাড়ের নিন্মাংশে চামড়ার নিচে
    ৬০ দিন ফাউল কলেরাকিল্ডঘাড়ের নিন্মাংশে চামড়ার নিচে
    ৯ সপ্তাহসালমোনেলাকিল্ডঘাড়ের নিন্মাংশে চামড়ার নিচে
    ১০ সপ্তাহরাণীক্ষেতলাইভপানিতে
    ১১ সপ্তাহইনফেকশাস করাইজাকিল্ডঘাড়ের নিন্মাংশে চামড়ার নিচে
    ১২ সপ্তাহফাউল পক্সলাইভডানার চামড়ায়
    ১৩ সপ্তাহফাউল কলেরাকিল্ডঘাড়ের নিন্মাংশে চামড়ার নিচে
    ১৪ সপ্তাহব্রঙ্কাইটিসলাইভপানিতে
    ১৫ সপ্তাহসালমোনেলাকিল্ডঘাড়ের নিন্মাংশে চামড়ার নিচে
    ১৫ সপ্তাহইনফেকশাস করাইজাকিল্ডঘাড়ের নিন্মাংশে চামড়ার নিচে
    ১৬ সপ্তাহএভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা (H5)কিল্ডঘাড়ের নিন্মাংশে চামড়ার নিচে
    ১৭ সপ্তাহরাণীক্ষেতলাইভপানিতে
    ১৭ সপ্তাহরাণীক্ষেত + ব্রঙ্কাইটিস + ইডিএসকিল্ডচামড়ার নিচে/মাংসে

    বিঃদ্রঃ ভ্যাকসিন শিডিউল কখনো ধ্রুব হতে পারেনা। নির্দিষ্ট এলাকায় রোগের প্রকোপ, টাইটার লেভেল এবং মুরগির শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করে এলাকাভেদে ভ্যাকসিনেশন শিডিউল ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। এক্ষেত্রে উক্ত এলাকার একজন রেজিস্টার্ড ভেটেরিনারিয়ানের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে আপনার ফার্মের জন্য ভ্যাকসিন শিডিউল তৈরি করিয়ে নিতে পারেন।

    পোল্ট্রি খামারে ভ্যাকসিন প্রয়োগে বিবেচ্য বিষয়সমূহঃ

    পোল্ট্রি খামারের ভ্যাকসিন প্রয়োগের ক্ষেত্রে যেসব বিষয় বিবেচনা করতে হবে সেগুলো নিচে বিস্তারিত দেওয়া হল-

    ১। সুস্থ-সবল বাচ্চাকে ভ্যাকসিন দিতে হবে। অসুস্থ-রোগাক্রান্ত বাচ্চাকে ভ্যাকসিন করানো উচিত নয়।

    ২। ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী কোম্পানির নির্দেশনা অনুযায়ী ভ্যাকসিন প্রদান করতে হবে।

    ৩। ভ্যাকসিন অবশ্যই বরফের ফ্ল্যাক্সে করে কুল-চেইন বজায় রেখে পরিবহন করে নিয়ে আসতে হবে।

    ৪। পোল্ট্রি খামারে প্রয়োগের জন্য ভ্যাকসিন অবশ্যই ঠাণ্ডা পরিবেশে রাখতে হবে। কোনভাবেই সূর্যের আলো কিংবা অধিক তাপমাত্রাযুক্ত স্থানে ভ্যাকসিন রাখা যাবে না। এতে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

    ৫। গরমের দিনে হাত দিয়ে বেশিক্ষন ভ্যাকসিন ধরে রাখা যাবে না। এতে হাতের তাপমাত্রা ভ্যাকসিনের কার্যক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

    ৬। ভ্যাকসিন প্রয়োগের আগে অবশ্যই হাত ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করতে হবে। এর আগে ভ্যাকসিন ব্যবহার করা উচিত নয়।

    ৭। ভ্যাকসিন প্রয়োগের আগে বা পরবর্তী দুইদিন কোন বিশের প্রয়োজন ছাড়া এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা ঠিক নয়।

    ৮। পোল্ট্রি খামারের জন্য ভ্যাকসিন কেনা বা ব্যবহারের সময় ভালোভাবে দেখতে হবে মেয়াদ আছে কিনা। মেয়াদ উত্তীর্ণ ভ্যাকসিন কোনভাবেই খামারে প্রয়োগ করা উচিত না।

    ৯। ভ্যাকসিন বাইরে নিয়ে আসার পর ২ ঘন্টার মধ্যেই ব্যবহার করতে হবে। তা না হলে কার্যকারিতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    ১০। খামারে মুরগির সংখ্যা অনুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমানে ভ্যাকসিন দিতে হবে। অপর্যাপ্ত পরিমানে ভ্যাকসিন করানো যাবে না। প্রয়োজনের তুলনায় ১০% বেশি ভ্যাকসিন দিতে পারলে ভালো। যেমনঃ খামারে ৯০০ মুরগি থাকলেও ১০০০ ডোজের ভ্যাকসিন দিতে হবে। তবে কখোনোই ১১০০ মুরগিকে ১০০০ ডোজের ভ্যাকসিন করানো উচিত নয়। এক্ষেত্রে প্রয়োজনে ১৫০০ ডোজের ভ্যাকসিন করাতে হবে।

    ১১। ভ্যাকসিন করানোর পরে ভ্যাকসিনের ভায়াল গুলো আশেপাশে ফেলে না দিয়ে অথবা জমিয়ে না রেখে সরাসরি মাটির নিচে পুঁতে ফেলুন কিংবা আগুনে পুড়িয়ে ফেলুন।

    রিলেটেড আর্টিকেল

    সামাজিক যোগাযোগ

    9,748,568ভক্তমত
    1,567,892অনুগামিবৃন্দঅনুসরণ করা
    56,848,496গ্রাহকদেরসাবস্ক্রাইব
    - Advertisement -

    সর্বশেষ আর্টিকেল

    জনপ্রিয় আর্টিকেল

    error: Content is protected !! Don\'t try to copy!!!