আরো

    বস্তা প্রতি ৪০০ টাকা কমেছে গো-খাদ্য ভুষির দাম

    যেখানে সব ধরনের গো-খাদ্যের দাম বেড়েছে সেখানে সিরাজগঞ্জে কমেছে ভুসির দাম। তবে ভুসির দাম কমায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে খামারিদের মধ্যে। যদি ভুসির মতো অন্য সব গো-খাদ্যের দাম ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে না আনা যায় তাহলে সিরাজগঞ্জে গবাদি পশুর খামারে গুলেতে ধস দেখা দেবে।

    সরেজমিনে সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, বস্তাপ্রতি ভুসির দাম কমেছে ৪০০ টাকা। আগে এক বস্তা ভুসি বিক্রি হতো ১ হাজার ৯৫০ টাকা আর বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫৫০ টাকা। তবে বৃদ্ধি পেয়েছে অন্যান্য গো-খাদ্যের দাম। গম মাসখানেক আগে ৩২ টাকা বিক্রি হলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪২ টাকা। খৈল আগে ৪০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন তা ৪৫ টাকা। প্যাকেটজাত দানাদার খাদ্য ছিল ১৮ টাকা কেজি, এখন তা বেড়ে হয়েছে ৩৫ টাকা।

    শাহজাদপুর উপজেলার উল্টাডাব গ্রামের কৃষক আফাজ উদ্দিন বলেন, দিনদিন যে হারে খাদ্যের দাম বাড়ছে তাতে গরু গুলোকে ঠিক মত খাবার দিতে পারি না। ভালো খাবার না দেওয়ার কারণে দুধ কমে যাচ্ছে।

    পোঁতাজিয়া গ্রামের খামারি আবুল কালাম বলেন, গম, ভুট্টা, খৈল, ময়দাসহ সব খাদ্যের দাম বেড়েছে। তবে দুই-তিনদিন হলো ভুসির দাম কমেছে। এতে আমরা যারা খামারি আছি তাদের একটু হলেও খাদ্য নিয়ে চিন্তা কমেছে।

    সিরাজগঞ্জ সদরের হাজী গো-খাদ্য ভাণ্ডারের ম্যানেজার রফিকুল ইসলাম বলেন, কয়েকদিন হলো ভুসির দাম কমেছে। আগে প্রতি বস্তা ১ হাজার ৯৫০ টাকা বিক্রি করলেও এখন তা ১ হাজার ৪৫০ টাকায় বিক্রি করছি। তবে অন্য সব খাদ্যের দাম বৃদ্ধি অব্যাহত আছে।

    বেলকুচি উপজেলার মুকুন্দগাঁতি বাজারে গো-খাদ্যের পাইকারি বিক্রেতা আব্দুল হালিম বলে, সব ধরণের গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু ভুসির দাম কমেছে।

    জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. গৌরাঙ্গ কুমার তালুকদার বলেন, গো-খাদ্যের দাম বাড়ায় এ অঞ্চলের খামারিদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তবে আমরা জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে খামারিদের সবসময় কাঁচা ঘাস খাওয়াতে পরামর্শ দিয়ে আসছি।

    রিলেটেড আর্টিকেল

    সামাজিক যোগাযোগ

    9,748,568ভক্তমত
    1,567,892অনুগামিবৃন্দঅনুসরণ করা
    56,848,496গ্রাহকদেরসাবস্ক্রাইব
    - Advertisement -

    সর্বশেষ আর্টিকেল

    জনপ্রিয় আর্টিকেল

    error: Content is protected !! Don\'t try to copy!!!